কচুয়ায় এবার ৫ম শ্রেনীর ছাত্রী ধর্ষনের শিকার, ৮ দিন পর থানায় মামলা

কচুয়া প্রতিনিধি ;
বাগেরহাটর কচুয়া পল্লীতে এবার ৫ম শেনীর ছাত্রী ধর্ষনের শিকার হয়েছে। ৮দিন পর নানী বাদী হয়ে কচুয়া থানায় মামলা হয়। ঘটনাটি ধামা চাপা দিতে জোর তদ্বির চালাচ্ছে স্থানীয় এক নারী জন প্রতিনিধি।
জানাযায় বাগেরহাট জেলার কচুয়া উপজেলার শাখারীকাঠি শহীদ স্মৃতী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেনীর ছাত্রী কে পিংড়–ড়ীয়া গ্রামের আজাহার সরদার এর লম্পট ছেলে সরোয়ার সরদার (৪৫) দীর্ঘদিন বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে ভূলিয়ে বালিয়ে মৎস ঘেরের পাহারা ঘরে নিয়ে ধর্ষন করে আসছিল । গত ৭ সেপ্টেম্বর সন্ধায় স্কুল ছাত্রী বাড়ীর সামনের রাস্তায় বের হলে লম্পট সরোয়ার সরদার জোর করে পাশ্ববর্তী সুপারী বাগানে নিয়ে গেলে স্থানীয় লোকজন টের পেয়ে সুপারী বাগার থেকে স্কুল ছাত্রীকে উদ্বার করে এবং লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে লম্পট সরোয়ার পালিয়ে যায়। স্থানীয় জনতা ছাত্রীটিকে উদ্বারের পর স্থানীয়দেরও কাছে ছাত্রীটি ঘটনার বর্ননা দেয়। এঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দেরও মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি স্কুল ছাত্রীর নানী স্থানীয় সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্যা ঝর্না বেগম কে জানায় এবং বিচার দাবী করে। স্থানীয় ভাবে বিচার করবে বলে ঐ ইউপি সদস্য বিভিন্ন প্রকার তালবাহানা সহ কালক্ষেপন শুরু করে। ঘটনাটি থানা পুলিশ টের পেয়ে কচুয়া থানার এক এসআই ঘটনা স্থলে যান এবং নির্যাতনের শিকার ছাত্রীটির মুখে সব শুনে ও থানা পুলিশ লিখিত অভিযোগ নাপাবার কারনে এব্যাপারে কোন ব্যাবস্থা গ্রহন করতে পারেনি। পুলিশ লিখিত অভিযোগ নাপাবার কারনে ব্যাবস্থা না নেয়ায় নির্যাতনের শিকার ছাত্রীটি সহ তার পবিবার বিভিন্ন হুমকীর মুখে পরে যায়।অবশেষে ধর্ষিতার নানী মাজেদাবেগম বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন।মামলা নং-৬, তারিখ১৫-০৯-১৫। অন্যদিকে এ ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে স্থানীয় জন প্রতিনিধি ঝর্না বেগম বিভিন্ন প্রকার তদ্বির চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এব্যাপারে কচুয়া থানার অফিসার ইন-চার্জ মোঃ সমশের আলী বলেন ,ঘটনাটি শুনেছি, আমার এক জন এসআই ঘটনা স্থলে গিয়ে ছাত্রীটির সাথে কথা বলেছে। তবে আমি লিখিত কোন অভিযোগ পাই নি যার জন্য কোন ব্যাবস্থা গ্রহন করতে পারিনি। গত ১৫ সেপ্টেম্বর আমি লিখিত অভিযোগ পওয়ার সাথে সাথে মামলা রেকর্ড করে নিয়েছি। #

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.