দক্ষ ও শিক্ষিত জনশক্তি তৈরী করতে সরকার শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে ॥ মহেশখালী প্রতিনিধিঃ ২৮ জানুয়ারী- ১৭ইং কক্সবাজার জেলা মহেশখালী উপজেলার প্রাচীন বিদ্যাপীঠ, জ্ঞান বিকাশের ঐতিহ্যর ধারক ও বাহক মহেশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪দিন ব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়ার সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতির বক্তিতায় মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ রফিক এম,পি বলেছেন- দক্ষ ও শিক্ষিত জনশক্তি তৈরী করতে সরকার শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এ জন্য মহেশখালী কে কেন্দ্র করে সরকারের যে উন্নয়নের রোড় ম্যাপ তৈরী হয়েছে। সেই উন্নয়নের সুযোগ ভোগ করতে এখান থেকেই শিক্ষিত দক্ষ জনশক্তি তৈরী করতে হবে। আর এ দক্ষ জনশক্তি তৈরীর মূল হাতিয়ার হলো শিক্ষক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। মহেশখালীতে আগামী দিনে নতুন কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয় করনের ঘোষনা হলে এটি হবে মহেশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়। এম,পি আশেক উল্লাহ রফিকের দাদা আলহাজ্ব মকবুল আহমদ মোক্তার এর ঐ কান্তিক প্রচেষ্টা তৎকালিন জমিদার অজিত রায়ের দান করা ভ’- সম্পত্তিতে গড়ে উঠা দীর্ঘ দিনের এই প্রতিষ্ঠান যে কোন সমস্যা সমাধান ও উন্নয়নে প্রশাসনের সহযোগিতা চলমান থাকবে। মহেশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালযের প্রধান শিক্ষক শাহা আলম এর সভাপতিত্বে পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা ও স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ডা: নুরুল আমিন, বিশেষ অথিতি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মহেশখালী উপজেলা আওয়ামীলীরে সভাপতি আলহাজ্ব আনোয়ার পাশা চৌধুরী, মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (এ.এস.পি) পদোন্নতী প্রাপ্ত বাবুল চন্দ্র বণিক, মহেশখালী কলেজের অধ্যক্ষ- জসীম উদ্দিন, অফিসার ইনচার্জ তদন্ত নাজমুল হক কামাল, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য জসিম উদ্দিন, মকছুদ আলম নিরু, আমির খসরু, আব্দুর রহিম বাদশা, আমিনুল ইসলাম রুবিদা উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ওলামালীগের সভাপতি মওলানা আলহাজ্ব রৌশন আলী,মাষ্টার নুরুল কবির,কুতুবজোম আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহামুদুল করিম অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক আলহাজ্ব নওয়াব হোসেন, মহেশখালী ডিগ্রী কলেজের ক্রিড়া শিক্ষক শিক্ষকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সৃষ্টি রাম দে,মুহাম্মদ আবুল কালাম আযাদ, লায়েক হায়দার,জাহাঙ্গির আলম আবুতালেব খান, আকতার কামাল আযাদ, মৃদুল কান্তি ভট্যার্চা, গিয়াস উদিন কাদের,মো ছিদ্দিক নূরী, এম সিরাজুল মোস্থফা, মো: শফিউল আলম,এমগিয়াস উদ্দিন,জামাল হোসেন, সুগত বড়–য়া, সরওয়ার কামাল, শহীদুল ইসলাম তারেকুল ইসলাম, শামুনাহার, শিরিন আকতার, দ্রুব কুমার সেন। উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ন আহবায়ক- আব্দুল হালিম, মোবারক হোসেন বারেক, নজরুল ইসলাম এড.শেখ কামাল, আব্দুল হাকিম, আবু বিন নাছির বাপ্পি, প্রমুখ।

মহেশখালী প্রতিনিধিঃ কক্সবাজার জেলা মহেশখালী উপজেলার প্রাচীন বিদ্যাপীঠ, জ্ঞান বিকাশের ঐতিহ্যর ধারক ও বাহক মহেশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪দিন ব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়ার সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতির বক্তিতায় মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ রফিক এম,পি বলেছেন- দক্ষ ও শিক্ষিত জনশক্তি তৈরী করতে সরকার শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এ জন্য মহেশখালী কে কেন্দ্র করে সরকারের যে উন্নয়নের রোড় ম্যাপ তৈরী হয়েছে। সেই উন্নয়নের সুযোগ ভোগ করতে এখান থেকেই শিক্ষিত দক্ষ জনশক্তি তৈরী করতে হবে। আর এ দক্ষ জনশক্তি তৈরীর মূল হাতিয়ার হলো শিক্ষক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। মহেশখালীতে আগামী দিনে নতুন কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয় করনের ঘোষনা হলে এটি হবে মহেশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়। এম,পি আশেক উল্লাহ রফিকের দাদা আলহাজ্ব মকবুল আহমদ মোক্তার এর ঐ কান্তিক প্রচেষ্টা তৎকালিন জমিদার অজিত রায়ের দান করা ভ’- সম্পত্তিতে গড়ে উঠা দীর্ঘ দিনের এই প্রতিষ্ঠান যে কোন সমস্যা সমাধান ও উন্নয়নে প্রশাসনের সহযোগিতা চলমান থাকবে। মহেশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালযের প্রধান শিক্ষক শাহা আলম এর সভাপতিত্বে পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা ও স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ডা: নুরুল আমিন, বিশেষ অথিতি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মহেশখালী উপজেলা আওয়ামীলীরে সভাপতি আলহাজ্ব আনোয়ার পাশা চৌধুরী, মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (এ.এস.পি) পদোন্নতী প্রাপ্ত বাবুল চন্দ্র বণিক, মহেশখালী কলেজের অধ্যক্ষ- জসীম উদ্দিন, অফিসার ইনচার্জ তদন্ত নাজমুল হক কামাল, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য জসিম উদ্দিন, মকছুদ আলম নিরু, আমির খসরু, আব্দুর রহিম বাদশা, আমিনুল ইসলাম রুবিদা উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ওলামালীগের সভাপতি মওলানা আলহাজ্ব রৌশন আলী,মাষ্টার নুরুল কবির,কুতুবজোম আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহামুদুল করিম অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক আলহাজ্ব নওয়াব হোসেন, মহেশখালী ডিগ্রী কলেজের ক্রিড়া শিক্ষক শিক্ষকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সৃষ্টি রাম দে,মুহাম্মদ আবুল কালাম আযাদ, লায়েক হায়দার,জাহাঙ্গির আলম আবুতালেব খান, আকতার কামাল আযাদ, মৃদুল কান্তি ভট্যার্চা, গিয়াস উদিন কাদের,মো ছিদ্দিক নূরী, এম সিরাজুল মোস্থফা, মো: শফিউল আলম,এমগিয়াস উদ্দিন,জামাল হোসেন, সুগত বড়–য়া, সরওয়ার কামাল, শহীদুল ইসলাম তারেকুল ইসলাম, শামুনাহার, শিরিন আকতার, দ্রুব কুমার সেন। উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ন আহবায়ক- আব্দুল হালিম, মোবারক হোসেন বারেক, নজরুল ইসলাম এড.শেখ কামাল, আব্দুল হাকিম, আবু বিন নাছির বাপ্পি, প্রমুখ।

1 comment

  1. soheil farvis raseil

    মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর নিকট মহেসখালী মাতারবাড়ী মুক্তিযোদ্বা রমিজ আহমদের চৌং বি,এ আবেদন। স্বাধীনতার ৪৫ বছর পর হলে ও মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী ইউনিয়নের তিতামাঝির পাড়া গ্রামের মুক্তিযোদ্বা রমিজ আহমেদ চৌং এর নাম মুক্তিযোদ্বাদের মৃল তালিকায় অন্তর ভুক্ত হয়নি। শহীদ মৃক্তিযোদ্বা ও বঙ্গবনৃধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিশ্রদ্বা নিবেদন করে এই । প্রতিবেদক কে কান্না জড়িত কন্ঠে মুক্তিযোদ্বা রমিজ আহমেদ বি,এ জানান ১৯৭১ সালের ২৭ শে মার্চ সময় পাক হানাধার বাহীনি নিরহ নিরস্ত্র বাঙ্গালীর উপর বর্র বর্র হামলা ও নির্যাতন শুরুকরে ।তখন মাতারবাড়ীর সন্তান রমিজ আহমেদ চট্রগ্রাম সরকারী সিটি কলেজ অধ্যায়ন রত ছাত্র কালুঘাট এলাকায় ব্যপক ্যুদ্ব হচেছ খবর পেয়ে,রমিজ আহমেদ বি,এ মাতৃভুমি রক্ষার্থে চট্রগ্রামের ১ নং সেক্টরে কামান্ডার রফিকুল ইসলাম এর অধীনে সত্রি্য়ভাবে পাক হানাধার বাহীনির বিরোদ্বে য়ুদ্বে অংশগ্রহণ করেন । চট্রগ্রাম যুব ক্যাম্পের অধীনে, রমিজ আহমেদ অন্যান্য মুক্তিযুদ্বাররা সহ একাধিক বহীনির বিরোদ্বে যুদ্বে অংশগ্র্হণ করেন ।অন্যান্য মুক্তিযোদ্বারা সহ একাধিক বার পান্জাবি হানাধার বিরোদ্বে সুন্মুখ যোদ্বা অংশগ্রহণ করেন বলেন ,জানান রমিজ আহমেদ অনেক ত্যাগের বিনিময়ে দেশ শতৃরু মুক্তি হবার পর নাড়ীর টানে মাতৃভুমির নিজ গ্রামের চলে আসলে । রমিজ আহমেদ, তিনি হতশায় শুরে বলেন নিজ গ্রামে এসে দেখি পান্জাবিরা আমাদের ঘর বাড়ি আগুন দিয়ে সর্বস্ব নির্স্ব করে দিয়েছে । আমার পরিবার লোকজন অন্যত্রে আশ্রয় নিয়ে কোন মতে দিন আতিপাত করে প্রাণে বেঁচে ছিল । বিভিষিকাময় কালো অধ্যায়ের করুণ বর্ণানা দিলেন মুক্তিযোদ্বা রমিজ আহমেদ ও তাহার আত্মীয় ষজন ।স্বাধীনতার ৪৫ বছর পার হলে ও আমারর নামটা মুক্তিযোদ্বাদের মৃল তালিকায় অন্তর ভৃক্ত হয়নি জীবনের শেষ প্রান্তে এসে গেছি বয়স এখন ৭৫ চলছে ,জীবন মৃতযুর সন্বিক্ষণের এই মুহুর্তে দেশ মাতৃকার লড়াকু সৈনিক হিসেবে মুক্তিযোদ্বাদের মৃল তালিকায় আমার নামটি অন্তর ভৃক্ত করতে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী বঙ্গবনধুর কণ্যা দেশরত শেখ হাসিনার কাছে আকুল আবেদন জানাছি। ১৯৯১ সালের প্রবল ঘৃর্ণিঝড়ে আমার বাড়ীঘর ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছিল । ওই সময় আমার বাড়ীতে রক্ষিত দালিলিক কাগজ পত্র লোনাপানিতে নস্ট হয়ে গিয়েছিল , একাড়েমিক সাটিফিকেটর সাথে মুক্তিযোদ্বা অংশগহণ করার সাটিফিকেট টি পেয়েছি, যাহার ক্রমিক নান্বার ১১৭৯৯৩ নাম রমিজ আহমদ চৌং,বি,এ পিতা তমমি গোলাল, মাতা,বদিজজামান গ্রাম,তিতামাঝির,পাড়া ইউনিয়ন মাতারবাড়ী উপজেলা মহেসখালী জেলা কক্সসবাজার মোবাইল ০১৭২৫৫০৫৫৬৯,ছবির ক্যাপশন রমিজ আহমেদ সাটিফিকেট ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *