bhorerbarta24

দামুড়হুদা মুন্সিপুরে মরণব্যাধী মাদক ছেড়ে অনেক দেখেছেন আলোর পথ

এম বি ফয়সাল তানজীরঃচুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার মুন্সিপুর সীমান্তেে মরণব্যাধী মাদক ছেড়ে অনেকেই দেখেছেন আলোর পথ।অতচ  মাদক ও চোরাকারবারিতে এখনো বেপরোয়াই রয়েছে বেশ কিছু সিন্ডিকেট। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে,উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা মুন্সিপুর। এ সীমান্তেে এখনো বেশ কিছু সিন্ডিকেট নিরবে দাপিয়ে বেরাচ্ছে সীমান্ত এলাকা ।আর এ  সিন্ডিকেটের সদস্যরা রাস্তা পরিস্কার করছে সীমান্তেে কখন কারা ডুকছে,বিজিবির টওল পাটি কখন ক্যাম্প হতে বেরচ্ছে ইত্যাদী খোঁজ রেখেই প্রায় প্রতিদিনই মাদক সহ কোন না কোন ভারতীয় পন্য বে- আইনি ভাবে প্রবেশ করছে মুন্সিপুর সীমান্তের    কুতুবপুর পশ্চিমপাড়ার মুন্সুর বালতির ছেলে মিলন(২৭) ও মুন্সিপুরের আনসার আলীর ছেলে চা বিক্রেতা  পলাশ  (২৮)  মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এ সীমান্তেে যাতে কোন রকম ভারতীয় পন্য অবৈধ পথ বেয়ে না আসতে পারে  সেদিকে  অবিরাম পরিশ্রম করে চলছে মুন্সিপুর ক্যাম্প কমান্ডার।    যার ফলে সীমান্তে   অন্য যে কোন সময়ের চাইতে মাদক সেবী ও মাদক পাচার অনেকাংশেই কমে  রয়েছেন বলে এ প্রতিবেদকে   একাধিক তথ্য সুএে  নিশ্চিত করেছেন । এছাড়াও আমাদের জেলাকে মাদক মুক্ত ও সুস্থ সমাজ গঠনের জন্য জেলার সুজগ্য জেলা প্রশাসক,  পুলিশ সুপার ও চুয়াডাঙ্গা৬  বিজিবি’ র পরিচাল  এর  সুজগ্য নেতৃত্বে এগিয়ে চলেছে মাদকের বিরুদ্ধে কঠিনঅভিযান এবং তা অব্যহত রয়েছে।   যে কোন মূল্যেে জেলার সকল তরুণ ও যুব সমাজ সহ জেলার প্রতিটি পরিবার মাদকের কলার গ্রাস হতে বিরত থাকতে পারে এবং মাদক সেবী ও ব্যবসায়ীদের সাথে কোন রকম আপস না করা সহ জেলা হতে পুরোপুরি মাদক ও চোরাকারবারি নিয়ন্ত্রণ করতে বদ্ধ পরিকর।যার ফলে  পুলিশ, বিজিবি সহ জেলা মাদকদ্রব্যের সদস্যদের নিরালায় পরিশ্রমেে পুরো জেলার কোথাও না কোথায়   প্রতিদিনই  মাদক সেবী,ব্যবসায়ী সহ চোরাকারবারি আটক হতে দেখা যাচ্ছে ।  কিন্তুু এর পরও দামুড়হুদা মুন্সিপুর সীমান্তবর্তী এলাকায়  পলাশ ওমিলনের   সিন্ডিকেটের ব্যবসা থেমে নেই অজানা কারনে।একাধিক লোকমুখে  জানা যাই,এ সীমান্তে বিজিবির কথিত দুই লাইনম্যানের টাকা দিয়ে মরণব্যাধী মাদক,ভারতীয় বাই সাইকেল সহ বেশ ক’ এক   ধরনের ভারতীয় কসমেটিকস ইত্যাদি এ সীমান্ত দিয়ে পার হয়ে মুন্সিপুর-  কার্পাসডাঙ্গা রোডের  খ্রিস্টান কবর স্হান,কার্পাসডাঙ্গা মুচিবটতলা,কার্পাসডাঙ্গা কোমরপুর ব্লীজ, কাটাখালী ব্লীজ সহ উপজেলা ও জেলার বিভিন্ন প্রান্তে আইনশৃংখলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে গভীর রাতে নতুবা খুব ভোরে পাচার করে যাচ্ছে।এদিকে মাদকের ছোবলে নাম না জানা অনেক প্রতিভাবান মেধাবী তরুণ- যুব সমাজ ধাবিত হচ্ছে মৃত্যুর দিকে।অজান্তে ঝরে পড়ছে আগামী দিনের জাতির ভবিষ্যৎ প্রজন্ম । এছাড়াও এ দু  সিন্ডিকেটের ভয়ে কেও মুখ খুলতে সাহস পায় না।সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রন্তে মাদক পৌছে দেওয়ায় ফলে নেশায় আসক্ত হয়ে নষ্ট হচ্ছে অসহায় শত শত মেধাবী যুব সমাজ তথা পরিবার। উপরোক্ত বিষয়ের উপর যথাযথ কতৃপক্ষের সু- দৃষ্টি কামন সহ অপরাধীদের কঠোর আইনী ব্যবস্হা গ্রহনের  দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার সহ উপজেলার সচেতন মহল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.