দামুড়হুদার চন্দবাসে গেন্ডারি আখ চাষ করে স্বাবলম্বী সাইদুর রহমান

এম বি ফয়সাল তানজির : গেন্ডারি আখ চাষ করে এবার সাফল্যের মুখ দেখছে দামুড়হুদা উপজেলার চন্দ্রবাস গ্রামের আঁখচাষী সাইদুর রহমান। এই আখ চাষ করে লাভবান হওয়ায় হাসি ফুটেছে তার  মুখে।

বোম্বাই, গেন্ডারি, মিশ্রি দানা, চায়না বোম্বাই, লাল দানা জাতের আখ বাণিজ্যিকভাবে চাষ করে এ বছর সে  স্বাবলম্বী। অল্পপুজি এবং আখের সঙ্গে অন্য ফসল চাষ করে অধিক লাভবান হওয়াতে উপজেলায় দিন দিন এ আখ চাষ বেড়েই চলছে।
দামুড়হুদা উপজেলার চন্দ্রবাস  গ্রামের মাঝের পাড়ার সিদ্দিক আলির ছেলে কৃষক সাইদুর বলেন –” দুই বিঘা জমিতে গেন্ডারি চাষ করে আমার ব্যয় হয়েছে ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা।১২থেকে  ১৩ ফুট উচ্চতা করে বিক্রি করেছি ২ লক্ষ ৬০ হাজার টাকায়। বিষা প্রতি গেন্ডারি হচ্ছে ৬ হাজার ৫’শ পিচ।”

উল্লেখিত গ্রামে সরেজমিনে যেয়ে দেখা যায়, কৃষকরা ব্যস্ত জমি থেকে আখ কাটতে। এখান থেকে কাটা আখ স্থানীয় বাজারে বিক্রি করা হয়। আর বাকিগুলো জেলার বিভিন্ন পয়েন্টে ভ্যানে করে ঘুরে ঘুরে বিক্রি করা অাঁখ ব্যাবসায়ীরা মাঠে থেকে এসে কিনে নিয়ে যায় ফলে চাষির বহন খরচ কমে যায়।

চন্দ্রবাসের  আখ চাষি সাইদুর  আলী আমাদের এ প্রতিবেদককে জানান,  ২বিঘা জমিতে আখ চাষ করেছেন তিনি। তিনিসহ আরও ৪ শ্রমিক শুধুমাত্র আখ কাটতে কাজ করছেন এখন। জমিতে চাষ করা হয়েছে বোম্বাই, গেন্ডারি, মিশ্রি দানা, চায়না বোম্বাই, লাল দানার আখ। তিনি ২ বিঘা  জমিতে কয়েক বছর ধরে আঁখ চাষ করে আসছেন। আখের চারা রোপণের ৪/৬ মাস পর এ তা বিক্রির উপযোগী হয়। এর মধ্যে আঁখের চারার মধ্যেই মশুরি ডাল ও মুলা আখের সঙ্গে চাষ করেন তিনি। আঁখের সঙ্গে ৫০ হাজার টাকার মশুরি ডাল ও মাত্র ১৫ শতাংশ জমিতে আগাম মুলা চাষ করে ২৫ হাজার টাকা বিক্রি করা সম্ভব বলে তিনি জানান।

আখ চাষি  সাইদুর রহমান আরো জানান, সে  দীর্ঘদিন ধরে আখ চাষ করলেও কোনো দিনই উপজেলা কৃষি অফিসের কোনো কর্মকর্তারা তাদের আখ চাষের পরামর্শ দেন নি। আখে পোকা ধরলে নিজেদের অভিজ্ঞতা দিয়েই কীটনাশক কিনে তা প্রয়োগ করেন। সরকারি বীজ ও সার সরবরাহ করা হয়নি বলেও অভিযোগ করেন সে।

160 total views, 3 views today

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.