গুলি করে ৪৯ মুসল্লি হত্যাকারী ট্রাম্পের সমর্থক

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে গুলি চালিয়ে ৪৯ জন মুসল্লি হত্যাকারী ব্যক্তি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। তিনি নিজেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থক বলে উল্লেখ করেছেন।

এ হামলার আগেই টুইটারে একটি ইশতেহার আপলোড করে হামলার ঘোষণা দেন তিনি। সেখানে তিনি এই হামলাকে সন্ত্রাসী হামলা বলে দাবি করেছেন। এ ছাড়া অভিবাসনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন তিনি। তাই নিজেকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থক বলে উল্লেখ করেন।

অভিবাসীবিদ্বেষী এ হামলাকারী তার ইশতেহারে বলেছেন- হামলা করে তিনি অভিবাসীদের দেখাতে চান যে, আমাদের ভূমি কখনও তাদের ভূমি হবে না। যতক্ষণ শ্বেতাঙ্গরা জীবিত থাকবেন।

হামলার সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভে ছিলেন হামলাকারী। ১৭ মিনিট ধরে ওই হামলার লাইভ ভিডিও প্রচারিত হয়। ধারণা করা হচ্ছে হামলাকারী ক্যামেরাটা তার মাথার সঙ্গে বেঁধে রেখেছিলেন। অস্ত্রগুলোর ওপরে সাদা রঙে কিছু লেখাও ছিল।

এদিকে হামলাকারী নিজেকে ব্রেনটন ট্যারেন্ট বলে পরিচয় দিয়েছেন। তবে তার এই নাম সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসনের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, হামলাকারী অস্ট্রেলিয়ায় জন্ম নেওয়া নাগরিক। তিনি কট্টর ডানপন্থী। তবে তার নাম প্রকাশ করেননি অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী।

শুক্রবার স্থানীয় সময় বেলা দেড়টার দিকে ক্রাইস্টচার্চের আল নূর মসজিদে জুমার নামাজ আদায়রত মুসলিমদের ওপর হামলা চালান ওই বন্দুকধারী।

ভিডিওটিতে দেখা যায়, গাড়ি থেকে বন্দুক নিয়ে গুলি করতে করতে মসজিদের ভেতর ঢুকেন তিনি। সেখানে নির্বিচারে গুলি চালান। তার গুলিতে মানুষের লাশ পড়তে থাকে। শুধু তাই নয়, ঘুরে ঘুরে লাশের উপরও গুলি চালান। গাড়ি নিয়ে রাস্তায় উঠে সেখানেও নির্বিচারে গুলি চালান তিনি। নিহতদের মধ্যে এখন পর্যন্ত তিনজন বাংলাদেশি রয়েছে বলে বিবিসির খবরে বলা হয়েছে।

3,681 total views, 3 views today

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.