মহেশপুরে ১৫২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল হাজিরা অনিশ্চিত

মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধি : মহেশপুরে ১৫২টি প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বায়োমেট্রিক হাজিরা ডিভাইজ(ডিজিটাল হাজিরা)।
উপজেলা শিক্ষা অফিস ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮/৪/১৯ তারিখে ৩৮.০১.০০০০.৭০০.৯৯.০০৩.১৮-১৫৮/৬৫ নং স্মারকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক এনামুল কাদের খান স্বাক্ষরিত ও ১/৪/১৯ তারিখে ০৫.৪৪.৪৪০০.০২০.০১.০০৪.১৯-২৭৮ নং স্মারকে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ সকল প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের স্কুল লেভেল ইম্পাওয়ারমেন্ট প্লান(স্লিপ) এর ফান্ড থেকে বিদ্যালয়ের বায়োমেট্রিক হাজিরা নিশ্চিত করার জন্য নির্দেশ দেন।
এ বছর মহেশপুরে ১৫২ টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ৪টি বিদ্যালয়ে ৮৫ হাজার, ৬৬টি বিদ্যালয়ে ৭০ হাজার এবং ৮২টি বিদ্যালয়ে ৫০ হাজার করে মোট ৯০ লাখ ৬০ হাজার টাকা বরাদ্দ আসে। এর থেকে ডিজিটাল হাজিরা ক্রয় করে বাকী টাকা স্কুলের উন্নয়ন কাজে ব্যয় করার কথা।
সরেজমিনে খোজ-খবর নিয়ে দেখা গেছে, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সংস্কারের কাজ হলেও ডিজিটাল হাজিরা খরিদ করা হয়নি। এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মাহবুুবুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসএমসি কমিটি এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করার কথা। তিনি আরো বলেন, কোন স্কুলেই এখনও পর্যন্ত ডিজিটাল হাজিরা খরিদ করা হয়নি তবে ৩০ জুনের মধ্যে এটি নিশ্চিত করা হবে।

অন্য একটি সূত্রে জানা গেছে, একাধিক সিন্ডিকেট গ্রুপ ডিজিটাল হাজিরা ক্রয় নিয়ে বাণিজ্যে লিপ্ত হয়েছে। সরকারের নির্দেশনা ছিল ডিজিটাল হাজিরা ক্রয় করার পর বাকী টাকা দিয়ে অন্য কাজ করবে কিন্তু সরকারের নির্দেশনা অমান্য করে অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ২৫/৩০ হাজার টাকা করে নিজেদের কাছে রেখে দিয়েছে। অথচ অন্যান্য উপজেলাগুলোতে ডিভাইজ ক্রয় করেত ৯/১০ হাজার টাকা লেগেছে। ৩০শে জুনের মধ্যে ডিজিটাল হাজিরা ক্রয় বাস্তবায়ন না হলে এই টাকা তছরুফ হবে বলে, স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.