শালিখার সীমাখালীতে কাঠাঁল ১ টাকা প্রতি কেজি

শহিদুজ্জামান চাঁদ.মাগুরা : শালিখার সীমাখালীর কাঠাঁলের মোকামে এ বছর কাঠাঁল অবিক্রি হয়ে গেছে প্রায়। বড় বড় কাঠাঁলগুলো যার ওজন ১৫ থেকে ২০ কেজি তা বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ১২ টাকা। ঐ হিসাবে কাঠাঁলের প্রতি কেজি ১ টাকা,তাও খাচ্ছে না বলে জানালেন বিক্রেতারা। সীমাখালীর কাঠাঁলের মোকাম সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রায়৬০/৬৫টি গ্রামের হাজার হাজার কাঠাঁল এখানে এসে জড়ো হয়। বাইরের ব্যাপারীদের ডেকে এনে আড়ৎদারেরা প্রতিদিন ৫/৬ থেকে ৭/৮ ট্রাক মাল বাইরে বরিশাল, বাগেরহাট,সাতক্ষিরা প্রভৃতি অঞ্চলে পাঠায়ে থাকে।অন্যবছর এসময় প্রতিদিন ১০/১২ ট্রাক মাল বাইরে পাঠানো হতো।প্রচন্ড গরমের কারনে এবছর মালের দাম কম তবুও খায়ানো যাচ্ছে না বলে জানালেন জব্বার মোল্যা নামের এক আড়তদার। সেকেন্দার আলী,আমীর হোসেন প্রমুখ আড়তদারগন কাঠাঁলের বিক্রির বিষয় নিয়ে খুবই হতাশায় ভুগছেন। গ্রামে গ্রামে ঘুরে বাড়ি বাড়ি কাঠাঁল কেনেন পিয়ারপুর গ্রামের তরিকুল,সীমাখালীর জব্বার,কুশখালীর শাহিন, সীমাখালীর রমজান,কাতলীর জয়নাল,খানপুরের অসীম,ক্ষেত্রপালার রহমান প্রমুখ খুচরা ব্যাপারীরা জানালেন এবছর কাঠাঁলের দাম ৫“শ,১০০০,১৫০০, সর্বোচ্চ ২০০০টাকা ১০০ কাঠাঁল। এর উপরে কোন কাঠাঁলের দাম নেই। কাঠাঁলে কোন ফরমালিন ব্যবহার করা হয় কিনা জানতে চাইলে তারা শতভাগ নিশ্চয়তা দিয়ে বললেন আমরা কাঠাঁল যাতে না পেকে যায় তাই চাই। ফরমালিন দিলে সব মাল পেকে যায়,রাখা যায় না। কাঠাঁল জাতীয় ফল হওয়া সত্বেও দাম না পাওয়ার কারনে ইতিপুর্বে অনেকেই বাগান উজাড় করে কাঠ জাতীয় গাছের বাগান গড়ে তুলেছেন। নিজেদের প্রয়োজনীয় ২/১টা ভাল স্বাদের গাছ রাখলেও তাও রাখার মন মানসিকতা হারায়ে যাচ্ছে বলে কয়েকজন কাঠাঁল চাষী মন্তব্য করলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.