শালিখার বিএডিসি ভবনটি এখন মৃত্যু ফাঁদ

শহিদুজ্জামান চাঁদ,শালিখা,মাগুরা : মাগুরার শালিখায় দীর্ঘ দিনের পুরনো বাংলাদেশ কৃষিউন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) উচ্চতর উপসহকারী প্রকৌশলীর (ক্ষুদ্র সেচ) কার্যালয় ভবনটির বিভিন্ন কক্ষের রুম ও ছাদ খসে খসে পড়ায় এবং বাইরের দেয়ালে ফাটল ধরায় ভবনটি জরাজীর্ন ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ফলে যে কোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরণের দুর্ঘটনা। (রবিবার ৩০ জুন) সকাল ১১টায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলা পরিষদ চত্বরে অবস্থিত পুরাতন বিএডিসি ভবনের সব কটি কক্ষ ও বাথরুম সহ ভবনটির ছাদ খসে খসে পড়ছে। সংশ্লিষ্টদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী এ ভবনটি নির্মিত হয়েছে ১৯৬৮ সালে। তারপর থেকে ভবনটির সংস্কার করা হয়নি বলে জানা যায়। ফলে ওই ভবনটি জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় ভবনটি এখন পর্যন্ত পরিত্যক্ত ঘোষণা হয়নি বলে বিএডিসি উপ সহকারী প্রকৌশলী শালিখা উপজেলার আড়পাড়া কার্যালয় থেকে জানা যায়। জায়গার অভাবে বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়েই ‘বিএডিসি’ উপজেলার উচ্চতর উপসহকারী প্রকৌশলী (ক্ষুদ্র সেচ),এর দাফতরিক কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। ফলে যে কোন সময় ভবন ধ্বসসহ বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। এ ব্যাপারে উপজেলা ‘বিএডিসি’ কার্যালয়ের মেকানিক মোঃ আব্দুল আজিজ বলেন, ছাদ সহ বিভিন্ন কক্ষের পিলাষ্টার খসে খসে পড়ছে। কিন্তু আমি এ বিষয়ে কোন বক্তব্য দিতে পারবোনা ভাই।‘বিএডিসি’ উচ্চতর উপসহকারী প্রকৌশলী (ক্ষুদ্র সেচ) মোঃ জাকির হোসেন বলেন, ভূমি কম্প আতঙ্কসহ ভবন ধ্বসের ঝুঁকি নিয়েই পরিত্যক্ত এ ভবনে বসে চাকরি করছি। ঝুঁকিপূর্ণ এ ভবনটির বিষয় উল্লেখ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। কিন্তু তাতে কোন লাভ হয়নি। তাই ঝুঁকি থাকা সত্বেও নিরুপায় হয়ে এ ভবনেই কাজ করতে হচ্ছে। ভবনটির সকল কক্ষের পিলাষ্টার খুলে খুলে পড়ছে। সামান্ন তম বৃষ্টি হলেই ছাদ দিয়ে পানি পড়ে। এতে অনেক সময় প্রয়োজনীয় কাগজ পত্রও ভিজে নষ্ট হয়। আমার কিছু বলার নেই। আজ আমি এখান থেকে বদলি হয়ে যাচ্ছি। তাই আমার বক্তব্য না নেওয়ায় ভাল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.