মহেশপুরে ২মাসে ১৪টি নারী নির্যাতন মামলা

দাউদ হোসেন,মহেশপুর(ঝিনাইদহ)থেকেঃ মহেশপুরে গত দু মাসে ৪টি ধর্ষন সহ ১৪টি নারী নির্যাতন মামলা হয়েছে। আসামীরা অধিকাংশ ধরা-ছোয়ার বাইরে রয়েছে। আসামীরা প্রকাশ্যে ঘুরাফেরা করলেও পুলিশ বলছে পলাতক রয়েছে।
থানা ও এলাকাবাসী সূত্রে প্রকাশ, মহেশপুর থানার মামলা নং ২ তারিখ ১লা মে আসামী স্বরুপপুর গ্রামের মজিবর শেখে ছেলে জসিম উদ্দিন কর্তৃক ঐ গ্রামের এক মেয়ে নির্যাতনের শিকার হয়। মহেশপুর থানার মামলা নং ৩ তারিখ-২রা মে রাখালভোগা গ্রামের আতিয়ার মন্ডলের ছেলে রাজু মন্ডল ফতেপুর গ্রামের এক মেয়েকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষন করে। মামলা নং-১১ তারিখ ৮ই মে হুদোশ্রীরামপুর গ্রামের নুরুজ্জামানের ছেলে হৃদয় হোসেন কর্তৃক একই গ্রামের এক মেয়ে ধর্ষনের শিকার হয়। মামলা নং ১৮ তারিখ ১২মে কানাইডাঙ্গা গ্রামের মৃত মকছেদ আলীর ছেলে ফতেপুর শামছুদ্দিন সরদার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক এক গৃহবধূকে ধর্ষনের চেষ্টা করে। মামলা নং ২৪ তারিখ ১৪মে অনন্তপুর গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে জিয়ারুল হক কর্তৃক চুয়াডাঙ্গা জেলার এক মেয়ে নির্যাতনের শিকার হয়। মামলা নং ২৭ তারিখ ১৫মে কুল্লাহ গ্রামের নুর মোহাম্মদের ছেলে জিহাদুল হক এক শিশুকে ধর্ষনের চেষ্টা করে বর্তমানে সে আটক আছে। মামলা নং ৩৯ তারিখ ২২মে মহেশপুর পৌরসভার হায়দার আলী নামে একজন ৪/৫ জনকে আসামী করে নারী নির্যাতন মামলা করেছে। মামলা নং ৪৬ তারিখ ২৬মে মদনপুর গ্রামের সলেমান দফাদারের ছেলে হসেন দফাদার একই গ্রামের এক গৃহবধূকে ধর্ষন করে। মামলা নং ৫৫ তারিখ ৩০মে পলিয়ানপুর গ্রামের আমজাদ আলীর ছেলে রিপন আলী একই গ্রামের এক মহিলা কে ধর্ষনের চেষ্টা করে। মামলা নং-৪ তারিখ ৯জুন পান্তাপাড়া গ্রামের আবুল হোসেন গাজীর ছেলে হারুন গাজী কর্তৃক এক গৃহবধূ ধর্ষিত হয়। মামলা নং-১৪ তারিখ ১৫ই জুন শিবানন্দপুর গ্রামের আমিন আলীর ছেলে মামুন হোসেন একই গ্রামের মিঠুন ঘোষের বোনকে অপহরন করে। মামলা নং-১৬,তারিখ ১৮জুন শ্যামকুড় গ্রামের শাহাজাহান খন্দকারের ছেলে সোহগ ঐ গ্রামের এক গৃহবধূকে ধর্ষন করে। মামলা নং-১৬, তারিখ ২২জুন কালহুদা গ্রামের আতিয়ার রহমানের ছেলে আব্দুল লতিফ জোকা গ্রামের মাহবুবুর রহমানের বোনকে যৌন-নিপিড়ন করে। মামল নং-২০ তারিখ ২৩জুন বালিনগর গ্রামের মৃত আলী বক্সের ছেলে জিয়ারুল ইসলাম ভৈরবা কলেজপাড়ার এক গৃহবধূকে ধর্ষনের চেষ্টা করে। এ সকল মামলার অধিকাংশ আসামীরা আটক হয়নি। খোজ-খবর নিয়ে দেখা গেছে আসামীরা এলাকাতে প্রকাশ্যে ঘুরাফেরা করছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পুলিশের তদন্তকারী কর্মকর্তাগন বলেন, আসামীদের আটকের চেষ্টা চলছে তবে তাদেরকে পাওয়া যাচ্ছে না। ভুক্তভোগী পরিবার অনেকেই জানিয়েছে তারা আসামীদের আটকের জন্য পুলিশের সাথে যোগাযোগ করেও কোন সুফল পাচ্ছে না।
এ বিষয়ে মহেশপুর থানার ওসি(তদন্ত)আমান উল্লাহ আমান বলেন, অধিকাংশ মামলাই কোর্ট থেকে পাওয়া কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.