রাঙ্গুনিয়ায় স্কুল ছাত্রীর বাল্যবিবাহ বন্ধ

রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধিঃ
রাঙ্গুনিয়ায় স্কুল ছাত্রীর বাল্য বিবাহ বন্ধ করা হয়েছে। শুক্রবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদুর রহমানের নির্দেশে স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় ইউপি সদস্য কিশোরীর বাড়িতে গিয়ে মা-বাবাকে বুঝিয়ে এই বিয়ে বন্ধ করে দেন। প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত কিশোরীর বিয়ে দেবেনা অঙ্গীকার করে মুচলেকা দেন বাবা-মা। সরফভাটা ইউনিয়নের সরফভাটা ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে ওই কিশোরী। শুক্রবার (১২ জুলাই) রাতে উপজেলা সদরের নুরজাহান কমিউনিটি সেন্টারে তাঁর বিয়ে হওয়ার কথা ছিল।
সরফভাটা ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি নিজাম উদ্দিন বাদশা বলেন, কিশোরীর বাড়ি স্কুলের পাশে। বিয়ে বন্ধ করতে বাড়িতে গেলে দেখতে পায় বিয়ের সব আয়োজনও চলছিল।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদুর রহমান বলেন, স্কুল ছাত্রীর বাল্যবিবাহের খবর পেয়ে স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় ইউপি সদস্যকে বিয়ে বন্ধ করতে বলি। বিয়ে বন্ধ করে মুচলেকা নেয়া হয়। #

খেতের ফসল ক্ষতির আশংকায় থানায় জিডি কৃষকের ! 

রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধিঃ
রাঙ্গুনিয়ায় খেতের সব্জি ও ফসল ক্ষতির আশংকায় থানায় সাধারণ ডায়রী করেছেন এক কৃষক । ওই কৃষকের নাম আবুল কালাম। বাড়ি রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউছার নগর দৈবকীনন্দন এলাকায়। বৃহষ্পতিবার (১১ জুলাই) তিনি রাঙ্গুনিয়া থানায় জিডি করেন।
কৃষক আবুল কালাম বলেন, তাঁর নিজস্ব ৪২ শতক জমিতে নিয়মিত মৌসুমী চাষাবাদ করেন। এবার তিনি ঢেড়স, চিচিঙ্গা ও বিভিন্ন ধরণের শাকসব্জি চাষাবাদ করেছেন। প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁর জায়গা দখল করতে পাঁয়তারা করছে দীর্ঘদিন ধরে। জায়গা দখলে নিতে তারা আমার সব্জি খেত নষ্ট করে দিতে পারে তাই তিনি থানায় জিডি করেছেন।
জানতে চাইলে রাঙ্গুনিয়া থানার শিক্ষানবীশ উপ-পরিদর্শক মো. হাসানুজ্জামান বলেন, থানায় জিডি নেয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করে দেখব। ” #

পাহাড় ধস, চাল নিতে এসে রক্ষা পেল তাঁরা 

রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধিঃ
দূর্গত মানুষদের মাঝে চাল বিতরণ হচ্ছে শুনে ইউনিয়ন পরিষদে আসলো ছেলে ও মা। এমন সময় খবর আসলো পাহাড় ধসে কাঁচা টিনের ঘর ভেঙ্গে যায়। প্রাণে রক্ষা পায় পুরো পরিবার। বৃহষ্পতিবার (১১ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার রাজা নগর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড শফিক টিলা এলাকায় এই পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে।
রাজা নগর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য সিরাজুল মওলা বলেন, “ ঝুঁকিপূর্ন এই এলাকা থেকে সবাইকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ন কয়েকটি পরিবার আশ্রয় কেন্দ্র ও আতœীয় স্বজনের বাড়িতে চলে গেছে। কিন্ত দিনমজুর মো. বাবুল মিয়ার পরিবার এখানে থেকে যায়। বাবুল মিয়া সকালে প্রতিদিনের মতো কাজে বের হন। দুপুরে তাঁর স্ত্রী ও শিশু সন্তান নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে সরকারি ত্রাণের চাল নিতে যাওয়ার পর পাহাড় ধস হয়। পরে তারা আত্মীয়ের বাড়িতে চলে যায়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদুর রহমান বলেন, “ পাহাড় ধসের ঘটনা শুনেছি। তবে ওই ঘরে কেউ ছিলনা। ঝুঁকিপূর্ন এলাকা থেকে সরে যেতে মাইকিং করা হচ্ছে। আমি নিজে গিয়ে তাঁদেরকে সরিয়ে নিচ্ছি। ফায়ার সার্ভিসের লোকজন , স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ঝুঁকিপূর্ন এলাকা থেকে লোকজন সরাতে কাজ করছেন। #

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.