নাটোরের ফুলবাগান গণকবরে বিনা টাকায় প্রায় ৪ বছর মালীর কাজ করছে

নাটোর প্রতিনিধি।।
নাটোরের ফুলবাগান গণকবর সদর উপজেলার সামনে ১৯৭১ সালে মসজিদ তৈরির নাম করে মুক্তিকামী হানাদার পাক বাহিনীরা জনতাকে ধরে এনে মসজিদ তৈরির কাজ শেষে গুলি করে হত্যা করে মাটিচাপা দিয়ে রাখতো। বর্তমানে উক্ত মসজিদটি ফুলবাগান জামে মসজিদ নামে পরিচিত। উক্ত স্থানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার গণ কবর শহীদ স্মৃতি হিসেবে নির্মাণ করেন।

উক্ত স্থানে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ২৬ শে মার্চ ও ১৬ ই ডিসেম্বর দুইবার পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্নœ করা হয়। বাকি মাসগুলি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নের অভাবে এবং রক্ষণাবেক্ষণ না থাকায় অব্যবস্থাপনায় গণকবরটি অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় থাকে। ০১/০৬/২০১৫ ইং তারিখে অবসরপ্রাপ্ত মোঃ আব্দুল কুদ্দুস (লাবু), পিতা-মৃত আব্দুল কাদের, গ্রামঃ ভাটোদাড়া আমহাটি,  ডাকঘরঃ দিঘাপতিয়া, উপজেলা ও জেলা নাটোর। তিনি তার নিজ উদ্যোগে গণকবরটি ০১/০৭/ ২০১৫ তারিখ হতে রক্ষণাবেক্ষণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে আসছেন। তিনি একজন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও জেলা প্রশাসক এবং স্থানীয় পৌরসভার মেয়র নাটোর এর নিকট বিভিন্ন সময় মালী পদে মাষ্টার রোলে নিয়োগের জন্য দাবি করে আসছেন। অদ্যবধি তাহাকে কোন প্রকার মাষ্টার রোলে নিয়াগ প্রদান করা হয় নাই। তিনি একজন অসহায় দরিদ্র ব্যক্তি। জেলা প্রশাসনের অনেক জায়গায় মালী পদে অস্থায়ী ভিত্তিতে মালী নিয়োগ করা আছে। তাই উক্ত আবেদনকারীকে নিয়োগ প্রদান করিলে যেমন ফুলবাগানে গণকবরটি রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকিবে এবং অসহায় একজন ব্যক্তি জীবিকা নির্বাহের সুযোগ সৃষ্টি হবে। তাই উক্ত এলাকার স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.