মহেশপুরে ভূমিদস্যু কর্তৃক জোরপূর্বক পুকুর দখল করে নেওয়ার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধি : বুধবার সকালে মহেশপুর প্রেসক্লাবে পদ্মরাজপুর গ্রামের বৃত্তহীন মহিলা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভানেত্রী নাছিমা খাতুন এক সংবাদ সম্মেলন করেন। সরকারীভাবে ইজারাকৃত ৩টি পুকুর জোরপূর্বক ভূমিদস্যুরা দখল করে রেখেছে বলে তিনি সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে সভানেত্রী নাছিমা খাতুন বলেন, উপজেলার ৭৭নং উজ্জ্বলপুর মৌজার এস,এ ৪৭৬,৪৭৭,৪৭৮,২৮৩, ৪৭৫ নং দাগের ২৩.৪৪ একর জমি ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ সরকার ইফাদ প্রকল্পের মাধ্যমে ১৩টি পুকুর পদ্মরাজপুর গ্রামের বৃত্তহীন মহিলা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতিকে ইজারা প্রদান করে। ইজারা গ্রহনের পর থেকে ঐ জমির খাজনা আমার দিয়ে আসছি। সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠি ও ভূমিহীনরা উক্ত সমিতির মাধ্যমে পুকুরগুলো মাছ চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। ২০০৮ সালে একই উপজেলার নস্তি গ্রামের ভূমিদস্যু সুরেন্দ্রনাথ হালদারের ছেলে শিবেন্দ্রনাথ হালদার, মৃত শান্তি কুমার হালদারের ছেলে আশিনাথ হালদার, মধু হালদার ও দিলিপ হালদার জাল দাখিলা ও ভূয়া কাগজপত্র তৈরী করে ৩টি সরকারী খাস পুকুরের বিপরীতে শিবেন্দ্রনাথ হালদার ৪৭৫/১ নং খতিয়ানে শ্রী শান্তি কুমারকে মালিক সাজিয়ে জোরপূর্বক ৩টি পুকুর অবৈধভাবে দখল করে মাছ চাষ করছে। আমরা গনম্যাধ্যমের মাধ্যমে সরকারী সম্পত্তি আত্মসাৎকারী ভূমিদস্যুদের আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন এবং ৩টি পুকুর ফেরত পেতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি। সভানেত্রীর স্বামী নাসির উদ্দিন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, শিবেন্দ্রনাথ হালদার গং যে দাখিলা দেখিয়েেেছ তা জাল প্রমানিত হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাশ্বতী শীল দাখিলার বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য নাটিমা ইউনিয়নের উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা নিকুঞ্জ কুমার বিশ্বাসকে নির্দেশ দিলেও তিনি কোন ব্যবস্থা নেয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বৃত্তহীন মহিলা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সদস্য সবেজাা বেগম, সুন্দরী খাতুন, সাজেদা খাতুন সহ তাদের স্বামী নাসির উদ্দিন, রেজাউল, আব্দুর রাজ্জাক ও আনাল হোসেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.