গুরুর খামার করে মোজাহার স্বাবলম্বী

শালিখায় গরুর খামার করে মোজাহার বিশ্বাস স্বাবলম্বী শহিদুজ্জামান চাঁদ,মাগুরাঃ মাগুরার শালিখার মোঃ মোজার বিশ্বাস গরুর খামার করে নিজে স্বাবলম্বী হয়েছেন এবং অন্যকে স্বাবলম্বী হতে উদ্বুদ্ধ করছেন ৷ সঠিক ভাবে গরু পালন করে এখন সে স্বাবলম্বী হয়েছেন। মোজাহার বিশ্বাস উপজেলার শ্রীহট্ট গ্রামের মৃত সোহরাব বিশ্বাসের পুত্র ৷ তার খামারে এখন বড় বড়  ৪টি গরু রয়েছে। খামার মালিক মোজাহার বিশ্বাস  জানান, আজ থেকে ১০ বছর আগে ২টি গরু নিয়ে ছোট্ট একটি খামার গড়ে তুলি। সেখান থেকে আমার খামারে এখন বড় বড় ৪টি এড়েঁ গরু রয়েছে ৷কিন্তু গরু পালন করে তেমন লাভবান না হওয়ায় এক সময় আমি উৎসাহ হরিয়ে ফেলি। আমার মা নুরজাহান বেগম আমাকে গরু পালনে উৎসাহিত করেন এবং নিজে এ ব্যাপারে আমাকে সাহায্য করেন। মার কথায় আবার নতুন করে গরু পালনে উদ্যমী হই আমি। শুরু করি গরু পালন। একে একে আমার খামারে গরুর সংখ্যা বাড়তে থাকে। উপজেলা প্রাণী সম্পদ বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ নিয়েছি আমি ৷ উপজেলা প্রাণী সম্পদ বিভাগ আমাকে বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করেছেন। বর্তমানে আমার খামারে যে গরুগুলো রয়েছে এদের মধ্যে একেকটিকে একেক নামে ডাকি৷ এর মধ্যে বেশ কিছু দিন আগে ৪টি গরুর দাম উঠেছে ১৪ লাখ টাকা। গরু গুলো এ বছর কোরবানির ঈদে ১৮ লাখ টাকা দাম হলে বিক্রি করবো৷ গরুগুলোকে কোনো প্রকার কু খাদ্য খেতে দেন না মোজাহার। গমের ভুসি, ডালের ভুসি, খৈল, খড়,ঘাষ,বিচালী  এসব জৈবিক খাবার দিয়ে তিনি গরুগুলোকে লালন করেছেন। মোজাহার বিশ্বাস বলেন শালিখা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আমি ৷ রাজনীতি আমার পেশা হলেও গরু পালন আমার নেশা। তবে খামারের গরুগুলোকে নিজের সন্তানের মতো ভালোবাসেন বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান। উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ আনিচুর রহমান বলেন, গরুর খামারের ক্ষেত্রে মোজাহার বিশ্বাস অত্র এলাকার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রেখেছেন ৷ খামারের গুরুগুলো খুবই বড় বড় হয়েছে ৷ গরু গুলো দেখতেও খুবই সুন্দর ৷ আমি উনার খামারে কয়েকবার গিয়েছি৷ এখন গরুর খামার করে তিনি অনেকটাই স্বাবলম্বী হয়েছেন ৷ আশা করি খামারে তিনি আরো বেশি লাভবান হবেন৷ তার দেখাদেখি এলাকার যুব সমাজ গরুর খামার করার জন্য উদ্বুদ্ধ হলেই আমার স্বার্থকতা ৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.