রাঙ্গুনিয়ার সরফভাটায় প্রয়াত চার নেতা স্মরণে শোকসভা অনুষ্ঠিত

রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি :
রাঙ্গুনিয়া উপজেলার সরফভাটায় সদ্য প্রয়াত চার নেতা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক আবদুল খালেক, সরফভাটা আওয়ালীগ ৯নং ওয়ার্ড’র সাবেক সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আমিন, সরফভাটা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মো হাসেম ও সরফভাটা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য আবুল কদর স্মরণে শোকসভা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও ইউনিয়ন পরিষদের যৌথ উদ্যোগে ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে রবিবার (২১ জুলাই) দুপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি আবদুর রউফের সভাপতিত্বে ও ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শামসুল আলম তালুকদার। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক ডা. মোহাম্মদ সেলিম, সরফভাটা ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শামসুল ইসলাম, উপজেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মো. ইউনুচ, আওয়ামীলীগ নেতা আবদুর সফুর, আহসান হাবিব, সিরাজুল ইসলাম, আবুল কালাম মেম্বার, আবুল কালাম চৌধুরী, নবীর হোসেন তালুকদার, আবু বক্কর ছিদ্দিক, মো. হোসেন মেম্বার, মো. কাজল মেম্বার, মাহবুবুল আলম, খোরশেদ আলম, ইউপি সদস্য মো. আলী, মো. আলগীর, দিদারুল আলম, মো. নাজের, সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা যুবলীগ নেতা হাসান মুরাদ, সাইফুল ইসলাম চৌধুরী, মো. এমরান, ইউনিয়ন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি নুরুল আলম, সহসভাপতি মো. বাদশা, সোহেল আরমান, আরিফুল ইসলাম সারেক প্রমুখ।

রাঙ্গুনিয়ায় ছেলেধরা সন্দেহে নারীকে ধরে পুলিশে দিল জনতা

রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি :
রাঙ্গুনিয়ায় ছেলেধরা সন্দেহে কুলছুমা আক্তার (৪৫) নামে এক নারীকে ধরে পুলিশে দিল জনতা। সোমবার (২২ জুন) দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ রাজানগর ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। কুলছুমা আক্তার নিজেকে কুতুবদিয়া শহরের বাসিন্দা বলে জানায়।
স্থানীয়রা জানান, সোমবার দুপুর ২টার দিকে উপজেলার পূর্ব রাজানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আশেপাশে কুলছুমা আক্তার নামে এই মহিলা সন্দেহজনক ভাবে ঘোরাঘুরি করছিল। স্থানীয়রা তার গতিবিধি সন্দেহজনক হলে তাকে ধরে পরিচয় জানতে চাই। পরে সে ঐখান থেকে পালাতে চাইলে স্থানীয়রা তাকে ধরে ফেলে। মুহুর্তে স্থানীয়দের মাঝে ছেলেধরা নারী আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে শত শত জনতা জড়ো হয়। একপর্যায়ে স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে নিজেকে ছেলেধরা হিসেবে জানালেও তাদের কেউ কেউ বলছেন সে প্রকৃতপক্ষে মানসিক প্রতিবন্ধী। তবে তার এই স্বীকারোক্তিতে স্থানীয়রা উত্তেজিত হয়ে পড়লে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে পৌছায় পুলিশ। পরে বিক্ষুব্দ জনতার হাত থেকে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ থানায় নিয়ে আসেন।
এই ব্যাপারে রাঙ্গুনিয়া থানার এসআই মো. রাকিব বলেন, ‘স্থানীয়রা ছেলেধরা সন্দেহে নারীকে আটকে রেখে আমাদের খবর দিলে আমরা তাকে থানায় নিয়ে আসি। তার ব্যাপারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সে ছেলেধরা নাকি মানসিক রোগী তা তদন্ত শেষে জানা যাবে।’

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.