ইটনা সদর থেকে বড়িবাড়ী পর্যন্ত উড়ন্ত সেতু নির্মাণ এখন সময়ের দাবি

এম, তাজুল ইসলাম, ইটনা (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ- হাওড় বেষ্টিত উপজেলা ইটনা। মূলত বর্ষাকাল আষাঢ়-শ্রাবন হলেও অত্র উপজেলাটিতে ভৌগোলিক কারণেই ছয় মাস পানি থাকে। বর্ষা কালে যেদিকেই তাকানো হয় চারদিকে অথৈই জল। একটু বাতাসে জলের সেই রাশিগুলো সাদা বকের পাখার মতো দেখা যায়। ইটনা উপজেলা থেকে চামড়া বন্দর পর্যন্ত সাব মারসেবল রাস্তা নির্মাণ হওয়ায় শুকনো মৌসুমে খুব সহজেই জেলার সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়। কিন্তু বর্ষাকালে ইঞ্জিন চালিত নৌকা ছাড়া চলাচলের আর কোন উপায় থাকে না। অনেক সময় হাওড় বেষ্টিত ইটনা উপজেলার বাসিন্দাগণ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় চলাচল করে। এমনকি অনেক সময় প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়ে প্রাণ নাশের ঘটনাও ঘটে। ইটনা উপজেলার উত্তরে নেত্রকোণা জেলার মদন, খালিয়াজুরী উপজেলা, পূর্বে সুনামগঞ্জের শাল্লা, হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ, দক্ষিণে মিঠামইন উপজেলা। অপরদিকে পশ্চিমে করিমগঞ্জ ও তাড়াইল উপজেলা। ইটনা উপজেলা সদর পশ্চিমগ্রাম বলদার পাড় থেকে সরাসরি পশ্চিমে বড়িবাড়ী ইউনিয়ন হওয়ায় এই জায়গাটুকু আবোরা রাস্তা নির্মাণ করা সম্ভব নয়। কারণ উত্তর থেকে পাহাড়ি ঢলে যে পরিমাণ পানি অতিবাহিত হয় সেই পানি স্থানীয় ধনু নদীর ধারণ ক্ষমতার বাহিরে। বিধায় পূর্ব পশ্চিমে আবোরা রাস্তা নির্মাণ করলেও তা টিকিয়ে রাখা যাবে না। আর এটি সম্ভবও নয়। ইটনা সদর বলদার পাড় থেকে উড়ন্ত সেতু নির্মাণ করলে হাওড় বাসীর যোগাযোগের নতুন দিগন্ত সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি পূর্বাঞ্চল ও উত্তারঞ্চলের মানুষও ঢাকার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের আরেকটি নতুন পথ খোঁজে পাবে। এতে করে একদিকে যেমন তাদের সময় অপচয় কমবে অপর দিকে পূর্বাঞ্চলে উৎপাদিত মালামাল সহজে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে আনার পথ সুগম হবে। এ অবস্থায় ইটনা সদর বলদার পাড় থেকে বড়িবাড়ী পর্যন্ত উড়ন্ত সেতু নির্মাণ সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে। তাই অনতি বিলম্বে হাওড়বাসীর জীবন মান উনড়বয়নে বাস্তব ভিত্তিক প্রদক্ষেপ গ্রহন ও বাস্তবায়ন করণকল্পে উড়ন্ত সেতু নির্মাণে আশু প্রদক্ষেপ গ্রহন করতে যথাযথ কর্তপক্ষের কাছে দাবি রাখছে অত্র এলাকার হাওড় বাসীর মানুষজন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.