বাজিতপুরে এডিস মশার আক্রমনে হাসপাতালে ভর্তি ১৬ জন

বাজিতপুর(কিশোরগঞ্জ) সংবাদদাতা: বিভিন্ন জেলাও বিভাগীয় শহর থেকে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত ও ছাত্র সহ ১৬জন এডিস মশায় আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন বয়সের ডেঙ্গু রোগী গত কয়েকদিনে বাজিতপুর ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। ভর্তিকৃতরা হলেন নরসিংদী জেলার বেলাবো উপজেলার বিন্নাবাইদ গ্রামের বকুল মিয়ার ছেলে বাইজিদ মিয়া(১৯) সরারচর গ্রামের অরুণবনিকের স্ত্রী রিনা রাণী বনিক(৫৮), কুলিয়ারচরের আগরপুর গ্রামের মোবারক মিয়ার স্ত্রী সাবিনা আক্তার (২৪), মনোহরদি গাংকৈল গ্রামের বকুল মিয়ার স্ত্রী ফরিদা আক্তার (৪০), বাচ্চু মিয়ার স্ত্রী রোকেয়া বেগম(৫০), গোবরিয়া গ্রামের আঃ হাসিমের ছেলে দ্বীন ইসলাম (৩০), মধ্য বোনা গ্রামের মূসা ভুইয়ার ছেলে নাহিদ ভুইয়া (২১), বাগবেড় গ্রামের আসিক মিয়ার ছেলে নূর মোহাম্মদ(১৮), শ্রীনগর গ্রামের জহির মিয়ার ছেলে আরমান মিয়া(২০), পূর্ব ভাগলপুর গ্রামের টিটু মিয়ার ছেলে ইসলাম উদ্দিন(২০), নারান্দি গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে জুয়েল মিয়া (২৪)ও কটিয়াদি পৌর শহরের সমীর সাহার ছেলে শিমুল সাহা এবং দিগাম্বরদী গ্রামের আলআমিন(২৪)।ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ডেপুটি ডিরেক্টর প্রফেসর ডাঃ মোহাম্মদ খালেকুল ইসলাম ভবি এ প্রতিনিধি কে গতকাল রবিবার জানান, ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ডের ব্যাবস্থা করা হয়েছে।মেডিকেল কলেজ সহ আসে পাশের এলাকার মধ্যে মশা নিধনের জন্য স্প্রে করা হয়েছে।
বাজিতপুরে ইয়াবার ছড়াছড়ি! প্রশাসনের উদ্যোগের অভাব
বাজিতপুর সংবাদদাতা: কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর পৌরসভা সহ ১১ ইউনিয়নের শতাদিক স্পটে বিভিন্ন বয়সের লোকজন ইয়াবা ব্যবসা করে আসছে গত কয়েক বছর ধরে। যদি ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী মাঝে মধ্যে অভিযান চালিয়ে চুনুপুটিদের গ্রেপ্তার করে র্কোটে চালান দেয়। কিন্তু রাজনৈতিক পরিচয়দারী মূল ব্যবসায়ীরা অধরা থেকে যাচ্ছে। হিলচিয়া ইউনিয়নের বাজার সংলগ্ন পূর্ব পাড়া গ্রামের আবুল হোসেন(৪০)কে পুলিশ কয়েকবার ইয়াবা সহ চালান দিলে ও আইনের ফাঁক দিয়ে বের হয়ে আবার ও ইয়াবা ব্যবসা করে আসছে সে এবং তার স্ত্রী। এদিকে দিঘীরপাড় ইউনিয়নের সাহাপুর গ্রামের ্এক কথিত মূল ব্যবসায়ী ও কৈলাগ ইউনিয়নে এক প্রভাবশালী নেতার আতœীয়-স্বজনরা ইয়াবা ব্যবসা করে যুব সমাজ কে ধ্বংস করছে। অন্যদিকে ,দিঘীরপাড় পাটুলির ঘোষপাড়া গ্রামের ইয়াবা ব্যবসায়ী ইদু মিয়া (৫০) একই এলাকার কাওসার মিয়া (৪৫),পূর্ব মথুরাপুর গ্রামের মানিক মিয়ার ছেলে কাজল মিয়া (৩৭), পাটুলি দক্ষিণহাটি গ্রামের মৃত রমজানের ছেলে শফিকুল ইসলাম(৩৫), খুরশিদ মিয়ার ছেলে রফিকুল ্ইসলাম (৪০),পাটুলি পশ্চিমহাটি গ্রামের লেনু মিয়ার ছেলে বকুল মিয়া (৩৫)সহ আরও কয়েকজন ইয়াবা ব্যবসায়ী এ ব্যবসা করে আসলেও প্রশাসনের সঠিক উদ্যোগ না থাকার কারণে যুব সমাজ ধ্বংস হচ্ছে বলে অভিজ্ঞমহল মনে করেন।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.