নিকলীতে গরুর বাজার মন্দা, ক্রেতা কম ও বিক্রেতা বেশি

বাজিতপুর কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা ঃ ঈদুউল আযহার আর মাত্র ১২ দিন বাকি রয়েছে। হাউর উপজেলা বলে ক্ষ্যাত নিকলী। এই উপজেলার জারইতলা ইউনিয়নের সাজনপুর গরুর হাটে প্রচুর গরু, মহিষ, ছাগল প্রচুর পরিমানে উঠলেও ক্রেতা খুবই কম। বিক্রেতারা তাদের গরু নিয়ে এহাটে গেলেও গরু বিক্রি করতে পারছে না। কারণ এই বছর কৃষকরা ধানের মূল্য সঠিক ভাবে না পাওয়া ও বন্যার কারণে কৃষকরা গরু বিক্রি করতে হচ্ছে পানির দামে। গতকাল
বিকেলে সাজনপুর বাজারে সরেজমিন গিয়ে কয়েক জন বিক্রেতাদের মধ্যে কুলিয়ারচরের দশ কাহনিয়া গ্রামের কৃষক বকুল মিয়া, কিশোরগঞ্জের শেওড়া গ্রামের বুলবুল মিয়া, কটিয়াদী মোঃ মিলন মিয়া, তাজুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গরু, মহিষে প্রতি বস্তা ফিডের দাম ১,৫০০ টাকা থেকে ২,২০০ টাকা খাওয়ালেও তাদের গরুর দাম গড়ে ৪০ হাজার টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকা দাম উঠেছে। মূলত গরু বানাতে গিয়ে প্রতি গরুতে খরচ পড়েছে ৫০ হাজার টাকা থেকে ৬০ হাজার টাকা। প্রতি গরুতে তাদের লোকসান গুণতে হচ্ছে ৮ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা। অনেক বিক্রেতা তাদের গরু হাট থেকে ফেরত নিয়ে যাচ্ছে। সাজনপুর গরুর হাটের ইজারাদার আলম মিয়া, সভাপতি সাবেক মেম্বার মরছব আলী ও মোঃ শহিন মিয়া জানান, প্রচুর গরু হাটে উঠলেও তাদের সঠিকভাবে গরুর ছুইট উঠছে না। কারণ গরু বেচা কেনা তেমন হচ্ছে না। এ বছর বাজারের ইজারার টাকা উঠতে হিমশিম ক্ষেতে হচ্ছে।

বাজিতপুরে সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের আলোচনা সভা

বাজিতপুর সংবাদদাতা: কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সভাপতি কমরেড সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে বাজিতপুর প্রেসক্লাবে গতকাল শনিবার বিকালে এডিস মশার আক্রমনে ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধ বিষয়ে আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়। এ সভায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ বিষয়ে আগামী সোমবার সকালে বাজিতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে জেলা প্রশাসক বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করার কথা রয়েছে। বক্তব্য রাখেন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সদস্য সচিব ব্যাংকার লিয়াকত আলী নাণ্টু, সহকারী প্রধান শিক্ষব মোঃ বজলুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সাইদুর রহমান, মোঃ আবুল ফজল হোসেন, মুস্তফা আমিনুল হক, প্রভাসক আজিজুল ইসলাম ও এডভোকেট হাদিউল ইসলাম বাদল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.