দামুড়হুদার বাড়াদি সীমান্ত পথে আসছে ভারতীয় গরু-রুপা সহ মাদকদ্রব্য

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ  দামুড়হুদা উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা কামারপাড়া-বাড়াদী সীমান্ত। আর সীমান্ত বেয়ে প্রায় প্রতিদিনই  আসছে গরু,রুপা,মাদকদ্রব্য সহ একাধিক অবৈধ ভারতীয়  পণ্য।আর এসকল চোরাকারবারিদের সহযোগিতা করছেন কথিত লাইনম্যান  আজাদ। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,সীমান্তে কামারপাড়া গ্রামের রমজান মন্ডলের ছেলে আজাদ(৪৫)। বাড়াদী সীমান্তে বিজিবি’ র কথিত লাইনম্যান হিসাবে পরিচিত । আজাদের সাথে  চোরাকারবারিদের  রয়েছে ভালো সু-সম্পর্ক যার ফলে আজাদ অর্থের বিনিময়ে চোরাকারবারিদেরকে  তথ্য দিয়ে সহোযোগিতায় করে আসছেন।ক্যাম্প হতে বিজিবি’র টহল পার্টি  কোথায় যাচ্ছেন, বর্তমানে কোথায় অবস্হান করছেন। আজাদের এমন তথ্যের উপর ভিত্তি করে  চোরাকারবারিদের রাখা রাস্তার মোড়ে  মোড়ে ও ওলিতে- গলিতে রাখা নিজেস্ব সোর্স এর কাছে তথ্য নিয়ে যখন বিজিবি’র লাইনম্যান আজাদের   দেওয়া তথ্য আর চোরাকারবারিদের রাখা  নিজেস্ব সোর্স এর তথ্য একই হয় তখন চোরাকারবারিরা   শুরু করতে থাকে কাজ।এ সীমান্তের  ৮১ নম্বর পিলার ধেয়ে এসকল অবৈধ পণ্য ৮০ নম্বর পিলার বেয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে জেলা সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।নাম প্রকাশ না করার বেশ ক’ একজন জানান,এ সীমান্ত দিয়ে গরু, রুপা,মাদকদ্রব্য সহ চোরাকারবারির পণ্য উঠছে কিন্তুু এ সীমান্ত বিজিবি’ কর্তৃপক্ষ তা আটক করতে সক্ষম হচ্ছে না, অতচ চুয়াডাঙ্গা সদর দপ্তরে কর্মরত চৌকস অফিসার হাবিলদার  বীরেন্দ্র এ সীমান্ত বেয়ে উঠা গরু,রুপা ও মাদকদ্রব্য   একাধিকবার একাধিক স্হান হতে আটক করতে সক্ষম হয়েছেন।জনমনে প্রাশ্ন যে এ সীমান্ত দিয়ে উঠা অবৈধ গরু,রুপা ও মাদকদ্রব্য সহ একাধিক পণ্য পরিপূর্ণ ভাবে   বাড়াদী  বিজিবি আটক করতে পরছে  না, আইনের  তোয়াক্কা না করে চোরাকারবারিরা  নাকের ডগা দিয়ে সীমান্ত বেয়ে পার করছেন জেলা সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।সীমান্ত দিয়ে  অবৈধ মালামাল উঠলেও বাড়াদী সীমান্ত আটক করতে না পারার কারন হিসাবে জানা গেছে  কথিত লাইনম্যানের সহযোগীতার ফল।অপর একজন ব্যক্তি আমাদের এ প্রতিনিধিকে   জানান বর্তমান বিজিবি’ যে লাইনম্যান আজাদ তার আপন বড় ভাই মান্নান যিনি  বিজিবি’র তালিকায় একজন বড় ধরণের সোনা  চোরাকারবারি , এখন আপনি বলেন তো আপনি যদি আইনের লোকের পাশাপাশি থেকে আপনার ভাই  কোন অপরাধ এর সাথে সংযুক্ত থাকে তবে আপনি কি আপনার ভাইকে ধরিয়ে দিবেন, না আপনি পারবেন ধরিয়ে দিতে? মুঠোফোনে উপরিউক্ত বিষয় সম্পর্কে বাড়াদি সীমান্ত দ্বায়িত্বরত অফিসারের শাহা আলমের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, আজাদ নামের আমাদের কোন সোস নেই। সীমান্তে অবৈধ পণ্যের উপস্থিতি ঠেকাতে  এবং অপরাধের প্রবনতা যাতে আর না বাড়ে সেজন্য আজাদের মতো দেশ ও জাতির শত্রুর বিরুদ্ধে  চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি’ র পরিচালক মহদ্বয়ের
নিকট তদন্তপূর্বক ব্যবস্হা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন অত্র সীমান্তের সচেতন মহল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.