উপজেলা আনছার  অফিসের দূর্নীতির শেষ কোথায়!

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: দামুড়হুদা উপজেলা আনছার ভিডিপি কার্যালয়ে দুর্নীতির শেষ কোথায়।অফিস ছোট আর দেখতে চাকচিক্য  না হলেও দুর্নীতিরর অন্ত নেই এ কার্যালয়ে।
অফিযোগের প্রেক্ষিতে জানা গেছে,প্রতিটি নির্বাচনী ডিউটিতে অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে দেওয়া হয় ডিউটি।যেমন দামুড়হুদা উপজেলা সদরের ডালিম নামের একজন স্মার্ট কার্ড ধারী আনছার সদস্যর কাছ হতে ৩০০ টাকা নিয়ে ডিউটি দেন উপজেলা আনছার ভিডিপি কর্মকর্তা চায়না খাতুন।  গত উপজেলা নির্বাচন ও সম্প্রতি  হয়ে যাওয়া ইউপি উপ- নির্বাচনে টাকা না দেওয়ায় ডিউটি পাননী ডালিম। ভিন্ন তথ্যসূত্রে জানা গেছে, এ অফিসে ভোট সহ সকল প্রর্যায়ের ডিউটির জন্য জনপ্রিয় ৫০০/১০০০ টাকা করে অর্থ  লেনদেন হয়ে থাকেন।উপজেলা আনছার ভিডিপি’ র প্রশিক্ষক আশরাফুল  ইসলাম ও চায়না খাতুনের যোগসাজশে পচ্ছন্দের ইউনিয়ান দলনেতা / দলনেএীদের কাছে ১/৩ টা করে গ্রুপ  দিয়ে থাকেন।প্রপ প্রতি দলনেতা তাদের কাছের ব্যাক্তিদের নিয়ে  পিসি এপিসি সহ ৬ জন পুরুষ  ও ৪ জন মহিলা আনছার মোট ১২ জন নিয়ে একটি গ্রুপ তৈরি করে থাকেন। গ্রুপের পিসি এপিসি বাদে বাকী ১০ জনের ডিউটি পেতে গুনতে হয় ৫০০/১০০০ টাকা।অবাক হলেও সত্য যে গত জাতীয় ও  উপজেলা নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ  ডিউটিতে টাকর বিনিময়ে সাধারণ মানুষের দিয়ে ডিউটি করানোর প্রমাণ পাওয়া গেছে।যার ফলে প্রকৃত আনছার সদস্যরা চাতক পাখির মতো ডিউটি পাওয়ার আশায় খাকলেও টাকা দিতে না পারায় অনেকে ডিউটি যেতে পারিনী। উল্লেখ্য এর আগের আনছার ভিডিপি অফিসার রওশনারার বিরুদ্ধে অর্থ  লেনদেনে জড়িত ছিলেন যার ফলে বেশ কিছু আনছার সদস্য  আনছার ভিডিপি’ র সদর দপ্তর সহ সাংবাদিদের কাছে অভিযোগ করেন। পরে ঐ অফিসারকে দামুড়হুদা হতে জীবননগর বদলী হতে হয়। বর্তমানে তিনি আলমডাঙ্গাতে কর্মরত  আছেন।সচেতন মহল সহ প্রকৃত আনছার সদস্যেরর দাবী আগামী নির্বাচন সহ অন্যআন্য  সকল প্রকার কার্যক্রমে প্রকৃত আনছার সদস্যরা যাতে সুযোগ পাই এবং অর্থ নিয়ে যাতে কোন সাধারণ মানুষের  ডিউটি না দেওয়া হয় সে বিষয়ে যথাযথ  কতৃপক্ষ সু দৃষ্টি দেবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.