বাজিতপুরে ইয়াবা ব্যবসা নিয়ে প্রতিবাদ করায় প্রতিপক্ষের গুলাগুলিতে নিহত-২, আহত-২০, হত্যা মামলা দায়ের

বাজিতপুর সংবাদদাতা ঃ কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার মাইজচর ইউনিয়নের শ্যামপুর পাড়া গ্রামে ইয়াবা ব্যবসা নিয়ে আবু বাক্কার মেম্বার ও তার সমর্থকরা প্রতিবাদ করার কারণে ফারুক মিয়া ও তার লেকজনের গুলাগুলিতে ২জন নিহত হয় ও আহত হয়েছে অন্তত ২০জন। এই ঘটনায় গতকাল শুক্রবার সকালে আবু বাক্কার মেম্বার বাদী হয়ে ফারুক মিয়াকে প্রধান আসামী করে আনিছ মিয়া, জাকির মিয়া, ফাইজুল মিয়া, নজরুল ইসলাম, রুবেল মিয়া সহ ৩৮জনের নামে বাজিতপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এই ছাড়া অজ্ঞাত ৮-৯জনের নামে মামলা করেন। গতকাল শুক্রবার মামলারবাদী আবু বাক্কার মেম্বার এই প্রতিনিধি কে জানান, ফারুক মিয়ার বিরুদ্ধে বাজিতপুর থানা সহ আশাপাশের কয়েকটি থানায় মামলা রয়েছে। বাজিতপুর থানার ওসি খলিলুর রহমান পাটোয়ারী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, গতকাল সকালে একটি হত্যা রুজু হয়েছে। তবে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। জানাযায়, গত বুধবার সকালে সংঘর্ষের ঘটনায় গুলাগুলিতে নিহত দুই জন ও আহত হয়েছে ২০ জন। নিহত শরিফ মিয়া (৩৫), শ্যামপুর পাড়া গ্রামের আব্দুল কাদিরের ছেলে ও ফুরকান মিয়া (২৮) লাহুত মিয়ার ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে শ্যামপুর পাড়া গ্রামে ইউপি সদস্য মোঃ বাক্কার মিয়ার সংঙ্গে একই গ্রামে ফারুক মিয়ার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পূর্ব বিরোধের জের চলে আসছিল। গত বুধবার সকালে ইউপি সদস্য সাত্তার মিয়ার ছোট ভাই চাল ব্যবসায়ী মওলা-কে একা পেয়ে ফারুক মিয়ার লোক জন মারধর করে। এই ঘটনার পর মওলার লোকজন দেশীয় অ¯্রসজিত হয়ে এগিয়ে গেলে ফারুক বাহিনী পাল্টা গুলি চালায়। এলোপাতারি গুলিতে নিহত হন বাক্কার মিয়ার ছোট ভাই শরিফ মিয়া ও চাচাত ভাই ফুরকান মিয়া। এঘটনায় মহিলা সহ ২০ জন আহত হয়। গুরুতর আহতরা হলেন নূর-আলম (৪০), তৌহিদ মিয়া (৩৫), আফিয়া খাতুন (৪০), শাহ জামাল (৪৫), শাফায়াত উল্লাহ (৫০), আজিজুর রহমান (৫০), স্বপন মিয়া (২৮), সালমা বেগম (২৫), কামাল মিয়া (৩২), রহিমা বেগম (৪০) ও মুর্শিদ মিয়া (৪২)। মাইজচর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ তৌয়ুবুর রহমান জানান, একতরফা ঘটনা ঘটেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.