হোমিও চিকিৎসক হয়ে এ্যালোপ্যাথিক ও ইউনানি  চিকিৎসা প্রদানে-নাম বিহীন হোমিও হলের চিত্র!

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ চুয়াডাঙ্গা দামুড়হুদা উপজেলায় নাম বিহীন  হোমিও হলে হোমিও চিকিৎসার পাশাপাশি  এ্যালোপ্যাথি ও ইউনানি  চিকিৎসা প্রদানের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর গ্রামের এম এ গাফফার  দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার চিৎলা মোড়ে জনসেবা হোমিও হল নামে চিকিৎসা কেন্দ্র গড়ে তুলে চিকিৎসক  হিসাবে চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন। ডাক্তার এম এ গাফফার একজন হোমিও চিকিৎসক হলেও হোমিও চিকিৎসার সাথে সাথে এ্যালাপ্যাথিক ও ইউনানি  চিকিৎসা প্রদান করছেন বলে চিৎলা গ্রামের  সচেতন মহল আমাদের এ প্রতিবেদকের নিকট অভিযোগ করেছেন।  অভিযোগ কারীরা বলেন একজন হোমিও চিকিৎসক কিভাবে এ্যালাপ্যাথিক ও ইউনানি  চিকিৎসা দিয়ে আসছেন তাতে আমারা হতোভাগ হচ্ছি। নাকি ডক্তার সাহেবের সকল চিকিৎসকের ডিগ্রীই আছেন? একজন ডাক্তার  উভয় চিকিৎসা দেওয়ার ফলে আর্থিক ভাবে ক্ষতি গ্রস্থ্য হতে হচ্ছে রোগীর স্বজনদের।এলাকায় অনেকে বলেছে দীর্ঘদিন ধরে  জনসেবা হোমিও হল নামে চিকিৎসা প্রদান করতেন ডাক্তার এম এ গাফফার।এর আগে  একাধিক চিকিৎসার  জন্য এম এ গাফফার নামে সংবাদপত্রে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিলো।  চলতি বছরে   উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনসেবা হোমিও হলে  মোবাইল কোট পরিচালনা করে জরিমানা আদায় করেছিলেন।একজন চিকিৎসক হিসাবে কাগজ পএ সঠিক ভাবে দেখাতে না পরায় তার ডক্তারি ডিগ্রী সন্মলিত লেখা  সাইনবোর্ড নামিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন। পরে ঐ চিকিৎসক তার নাম ব্যাবহৃত সাইনবোর্ড নামিয়ে ফোলেন। বর্তমানে সাইনবোর্ড  বিহীন ভাবেই হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার আড়ালে এ্যলোপ্যাথিক ও ইউনানি চিকিৎসা সহ বিভিন্ন ধরনের মলম  বিক্রি করে আসছেন বলে জানা যায়। মোবাইল ফোনে উপরোক্ত বিষয় সম্পর্কে  এম এ গাফফারের বক্তব্য জানতে চাইলে মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় কথা বলা সম্ভব হয়নি। চিৎলা গ্রামের সচেতন মহলের দাবি একজন ডাক্তার হিসাবে যে সকল কাগজ পএ থাকা জরুরি এবং হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা সহ এ্যালোপ্যাথিক ও ইউনানি চিকিৎসা প্রদান করা রড় ধরনের অপরাধের শামিল। বিষয়টির উপর যথাযথ কর্তৃপক্ষের জরুরি ভিত্তিক তদন্তের প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.