ঠাকুরগাঁওয়ে পীরগঞ্জ সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপকের যৌন কেলেঙ্কারি ফাঁস শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপকের যৌন কেলেঙ্কারি ফাঁস হয়ে গেছে । এক ছাত্রীর সাথে ঐ অধ্যাপকের যৌন চারের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও অনলাইনে ভাইরাল  হয়ে পড়েছে । এ নিয়ে এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। তবে বিষয়টি সঠিক নয় দাবি করেছেন ঐ শিক্ষক । বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যে জানা যায়, পীরগঞ্জ সরকারি কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক বদরুল হুদা পরীক্ষায় ভালো নাম্বার দেওয়াসহ নানা প্রলোভনে কলেজের সুন্দরী ছাত্রীদের সাথে অবৈধভাবে দৈহিক সম্পর্ক করে আসছেন। অভিযোগ রয়েছে, ঐ অধ্যাপক তার বন্ধুর স্থানীয় একটি শিশু পার্কের খাস কামরায় নিয়ে গিয়ে ছাত্রীর সাথে মিলিত হন অনৈতিক কর্মকান্ডে । আর সেই কর্মকাণ্ডের দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করে ব্লাক মেইল করেন ছাত্রীদের । অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ছবি ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তার সাথে দৈহিক সম্পর্ক অব্যাহত রাখতে বাধ্য করেন । মান সম্মান ও পরীক্ষার ভালো নাম্বার পাবার আশায় কোন ছাত্রীই এর প্রতিবাদ করার সাহস পাননি । বিষয়টি নিয়ে এলাকায় কানাঘুষা হলেও ঐ কলেজ শিক্ষক স্থানীয় হওয়াই কেউ মুখ খোলেননি । প্রতিবাদের বদলে কেউ কেউ আবার তার ঐ কাজের সহযোগী হয়েছেন। সুবিধাও নিয়েছেন, সম্প্রতি এক কলেজ ছাত্রীর সাথে  ঐ শিক্ষকের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ফাঁস হয়ে যায় তার যৌন কেলেঙ্কারির ঘটনা । বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকায় ও বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় শিক্ষকের কেলেঙ্কারি ঘটনা  প্রকাশ হয়েছে । বিষয়টি নিয়ে এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়েছে । অভিভাবক মহলে  দেখা দিয়েছে অস্বস্তি । শহরের সবাই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে । সম্প্রতি গত রবিবার সকাল 11 টার দিকে এর প্রতিবাদে ওই শিক্ষকের শাস্তির দাবি করে কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা । এদিকে কোরবানির ছুটির পর শনিবার খুললেও লোকলজ্জার ভয়ে সেদিন থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত হয়েছে ঐ অধ্যাপক বদরুল হুদা । বিষয়টি শুনেছেন শিকার করে সহযোগী অধ্যাপক বদরুল হুদা বলেন, এটি সঠিক নয়, এই নিয়ে বিব্রতকর অবস্থায় রয়েছেন।  ছুটিতে থাকার কারণে তিনি কলেজে যাননি ।  এ ব্যাপারে বীরগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর কামরুল হাসান বলেন, ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ সমাবেশ হওয়ার কথা না শুনলেও ঐ শিক্ষকের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কথা কলেজের অন্য শিক্ষকরা তাকে জানিয়েছেন । তবে তার কাছে এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি । এরপর  ঘটনাটি  বিষয়ে বারবার মুঠোফোনে অধ্যাপক বদরুল হুদার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি মোটো ফোন রিসিভ করেন না ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.